সেই দাম্ভিকতায় আমিই সদা সজ্জিত বঙ্গবীর
আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা তা আমারই মস্তশির।
মুক্তিযোদ্ধা আমি;
ভাই ভাইয়ের বুকের রক্ত টানা চুষার জশ।
আমি মুক্তিযোদ্ধা আমার গুলি মানুষ মারার সাহস।
ধর্ম-কর্ম-বর্ণ-শরমের মাথা খাই যেই নামে
ব্যবসা আমার চলে চলুক মূর্খতার ধরাধামে।
হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান মিলে বন্ধু বন্ধু হই
কিসের বেহেস্ত স্বর্গ আবার, মুক্তিতায় জেগে রই।
মুক্তিযুদ্ধ গর্ব বাংলার মুক্তিযুদ্ধই কথা বলে
স্বাধীন দেশের গণতন্ত্র মরে হিন্দুস্তানী গ্যারাকলে।
কে বলেছে কে বুঝেছে; "মুক্তিযুদ্ধে চলো যাই!"
মুসলিম মারার ফন্দি সেটা নামধারীরা বুঝে নাই।
মুক্তরীতি আজো আছে দেখো মুক্ত নির্বিচার
মানুষ ধরো কাটো মারো নাম দাও রাজাকার।
মুক্ত আমি মুক্ত রাজা সব বিচারিক অনুষ্ঠান
মানুষ গুমের মুক্ত নীতি যেন মানবতার অভিমান।
মুক্তিকামীরা আল্লাহহীন আস্থা শক্তি লাঠি বলিয়ানে
মুক্তির শক্তির প্রয়োগ পড়ে আল্লারে যেই মানে।
মুক্তি নামেই মুক্ত রাজার মিথ্যার অভিলাস
বাংলার মানুষ আবুল বানানোর মুক্ত পরিহাস।
সেই মুক্তি ফাঁসির আসামীর নিজ দল চোর খুনির
মুক্তি নামে মুক্তিযুদ্ধই যেন শয়তানীর মহাতীর।
ভেবে দেখো হে মুক্তি ব্যবসাবাজ
জানো কি তুমি কে?
তোমারে স্রষ্টা বানিয়েছে মানুষ
মানুষের অবয়বে।
বিঃ দ্রঃ আমি মুক্তিযুদ্ধকে শ্রদ্ধা করি বাংলাদেশী হতে পেরে। আমি বয়সের অযোগ্যতায় মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। ইতিহাস জানি (সত্য কি মিথ্যা)। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কেন করা হয়েছে? এত এত মানুষ কেন মারা হয়েছে তার ব্যাখ্যা আমি বর্তমান রাজনৈতিক মুক্তিবাজদের আচরণে পাই। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি নিজেকে ঠিক যেমন ভাবী, তেমন আমি আমার একান্ত মতটাই প্রকাশ করেছি। কাউকে ছোট করার জন্য, মুক্তিযুদ্ধকে অশ্রদ্ধা করার জন্যও করিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন