শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৩

ব্লগার ব্লগার প্রেম!

কবি লেখক ছড়াকার নই
নই যে গল্পকার
নেট কি-বোর্ডে ব্লগর ব্লগর
পরিচয় এক ব্লগার।

নতুন-পুরান-লেখক-পাঠক;
বেঁধে যায় ক্ষণে জ্যাম
সকল মতের মিলন মেলার
ব্লগার ব্লগার প্রেম!

উচ্ছ্বাস মেখে ব্লগার ব্লগে
পোস্টায় অবিরাম
হোক না আসল/নকল কি-ই বা
একটাই নিক নাম।

প্লাস-মাইনাস ক্যাঁচাল; ক্ষণে
রাগেই কমেন্টায়
ব্লগটি কখন শান্তিপূর্ণ
ক্ষণেই উথলায়।

অকর্ম্মন্য/ ছিটকে চোর+আ
যেই না রাখুক নাম
লেখায় কিছু থাকলে শিখার
তাতেই কামের কাম।

আমার নয় যে; আমাদের ব্লগ
সোনার বাংলাদেশ
ঐ নবীনের মিছিল ভারে
ব্লগার আসছে বেশ!

স্বপ্ন পূরণ যেথায়ই হোক,
ব্লগেই ভাবলে কী!
জীবন সাজায় জোড়া কতক
ব্লগার-ব্লগারনী।

এ জন্যই শিবির-জামায়াতীদের পাগল মনে হয়!

যেখানে আমাদের প্রগতিবাদীরা এদেশে অনেক চেষ্টা সাধনা করে দেশে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে পেরেছি। যেখানে ডিজিটালের নামে পশ্চিমা দেশগুলোর উদার সংস্কৃতিকে আমরা বাংলাদেশেও আমল করতে পারছি। এমন সময়-সুযোগ পেয়েও যাদের জীবন যৌবনে ডিজিটাল জোয়ার আসেনি। যারা শান্ত, পুরাতন সংস্কৃতিতে চর্চা করে যাচ্ছে। আর এভাবেই করবে নাকি সুন্দর সমাজ প্রবর্তন! আরে ওদের একটা বডি হইল? মাটির দেহের শরীর হইলে কি আর এভাবে মসজিদে গিয়ে শান্ত হয়ে বসে থাকতে পারে? ওদের একটা মানসিকতা হইল? এমন সময়-সুযোগে তাদের মনে সামান্যতম খায়েশও জাগে না। আমরা যখন আমোদ-প্রমোদে নিজেদের চূড়ান্ত ইচ্ছা পূরণ করে নিচ্ছি, তারা তখন স্বগ-সুখের জান্নাতের খোয়াব দেখে! আহারে জামাত-শিবিরের দল! যত সব পাগলের গোষ্ঠী! আর যত সব পাগলের কাজ কাম!!!


যে মুহূর্তটায় এসে আমরা লগি-বৈঠা, রিভলভার, পিস্তল, রামদা, চাপাতি, বুলেট, পুলিশবাহিনী, সেনাবাহিনী সব ডিজিটাল শক্তি কাজে লাগাতে ব্যস্ত, জামাত-শিবির তখনও সেই খালি হাতে শুধু মুখে মুখে নারায়ে তাকবীর-আল্লাহু আকবার ধ্বনীতে রাজ্য কাঁপাতে চায়। আরে, আমরা ইচ্ছা করলে তো জামাতিদের নিমিষেই নিঃশেষ করে দিতে পারি!

দেশের সব ক্ষমতা আমাদের হাতে। তারা খালি হাতে কি আর করতে পারবে? ওদের এই বিষয়টা আজও তাদের মাথায় আসেনি। আসল খেইলের মজা বুঝবে কেমনে? তসলিমা, সামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদের ছোহবত পেলে তো হুঁশ হবে! ওরা যে সারাক্ষণ ঐশী বাণী নিয়ে ঘাটাঘাটি করায় ব্যস্ত! আসলে ওরা পাগলের প্রলাপ করছে। হেন করে ফেলব তেন করে ফেলব। ফাঁসি দিয়ে ফেলব। গুম করে ফেলব। কথায় নয় শুধু, আসলেই আমরা এসব কাজেও করতে পারি! এবার দেখো মজা! তোমাদের আল্লাহর কাছে ক্ষমতা, না আমাদের, এবারই প্রমাণ হবে!

আমরা যখন আইন, প্রশাসন, শক্তিমত্তা আর মুখের জোর, বকাবাজী, ধোকাবাজী, সন্ত্রাসী, টেন্ডারবাজী, চুরি, ডাকাতি, লুটপাট, ছিনতাই, চাঁদাবাজী করে নিজেদের ভাগ্যকে খুব সহজেই গড়ে নিতে ব্যস্ত, জামাত-শিবিরেরা এখনও আছে সেই পুরনো খুলাফার যুগে নিজেরা মাঠে ময়দানে সরল কৃষিকাজে শরীরের ঘাম ঝরায়। তারা এখনও আল্লাহর উপর আস্থা রাখে নিজেদেরকে অনেক অনেক পাওয়া থেকে বঞ্চিত রাখছে। আমাদের হেদায়াতের জন্য দোয়া করছে। আরে আমরা কি সহজেই হেদায়াত নিব নাকি? তাহলে আমরা খাব কি করে? আমরা তো ভাল করে লেখা-পড়াও করিনি দলের কাছ থেকে বিশালাকার সুবিধা পাওয়ার আশায়। ভাল কোন কাজও করিনি যে, কাজ করে খাব! আমরা তো ইচ্ছা করেই তোমাদেরকে চাপে রাখি- কারণ, তোমরা আমাদের মত প্রগতিশীল নও, আমাদের মত চালাক নও, আমাদের মত শক্তিধর নও, আমাদের মত সুবিধা নিতে পার না।

আসলে তোমরা জামাতী আর শিবিরবাদীরা এমনই!!!

ওরাই সব কিছুতে স্বাদ নেয়ার পর ফেলে দেয়..

ছবিতে দেখছেন, মাটির হাঁড়ির কিছু ভাঙ্গা চারা (টুকরা)। হয় তো ভেবে থাকবেন, এই চারা দিয়ে কি কোন মান সম্পন্ন পোষ্ট হয়? আমি বলি, এগুলো দিয়ে একটা সুন্দর পোষ্ট হয় না ঠিক। তবে এগুলো দিয়ে সুন্দর উপমায় একটা সত্য জিনিষকে ফোটিয়ে তোলা যায়। অবুঝ একজন মানুষকে সঠিক একটা পথ দেখানো যায়। আমি আসলে এখানে অবুঝদের একটু বুঝানোর জন্য পোষ্টটা দিলাম। যারা বুঝেনা, তারা যেন হেদায়াত প্রাপ্ত হয়। আমিন!



আপনারা দেখছেন, খেঁজুর রস ভর্তি একটি সিলভার পাতিল। পাশে ৩টি মাঝারি পদের মাটির ঘটি। অল্পের জন্য সিলভার পাতিলটা রসে ভরেনি।



এভাবে করেই চারটা খেঁজুর গাছে ৪টা ঘটি রসের জন্য বাঁধা ছিল। সকালে মসজিদ থেকে এসে বড় ভাই এগুলো গাছ থেকে পেড়ে আনেন। সকালে অনেকেই খালি পেটে খেঁজুর রস খেতে আসে। খেঁজুর রস অনেকেরই পছন্দ। পাখিরাও এখান থেকে রস খায়। কিশোর যুবকেরাও গাছে উঠে ঘটি থেকে, বাড়ী থেকে বলে/ না বলে রস খায়। আমরাও ঘরে ঘরে খেঁজুর রস খেতে দেই। এভাবে চলছে এক-দেড় মাস।

আজও প্রতিদিনের মত খেঁজুর গাছ থেকে রসের হাঁড়ি নামিয়ে আনতে গেলেন আমার বড় ভাই। কিন্ত একটি ঘটি গাছে আর নেই। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উনার বুঝার বাকী নেই যে, এটা ছেলে-পেলেদের কাজ হবে। যাক, এমনটা হতেই পারে! অবশিষ্ট ৩টি ঘটি নিয়ে বাড়ী ফিরে এলেন।


আমি তখনও ঘটনা টা জানি না। আমার মেজো চাচা সকালের বিলাতি টমেটো ক্ষেতের পাশ দিয়ে হাঁটতেছিলেন। দেখছেন গলায় রশি লাগানো একটা রসের হাঁড়ি ভাঙ্গা ছড়ানো অবস্থায় পড়ে আছে। চাচাও বুঝলেন, তাজা ঘটি এখানে ভাঙ্গা থাকার কথা নয়। ঘটির কয়েকটি চারা (টুকরা) হাতে করে বাড়ী নিয়ে আসলেন।


এবার আমি জেনেছি। আমি ভাবলাম, এগুলো তো সবার জন্যই। খেয়েছে। তৃপ্তি মিটেছে। মনের ইচ্চা পূরণ হয়েছে। তো এটা ভাঙ্গার কি দরকার ছিল? না ভাঙ্গলে তো আবার আরেক দিন এভাবে খেতে পারতো! আবার এভাবে আরেক দিন আরেক জনেরটা নষ্ট করবে নির্দিধায়, নিঃশ্চিন্তায়!

----------------------------------------------------------------
এভাবেই শেষ নয়; আমি এই বিষয়টাকে যেভাবে ভেবেছি-

আমার একটা ঘটি ভেঙ্গেছে এটা একটা ব্যাপার না; তবে এই রসের ঘটির মতই তারা অনেক কিছু থেকে তাদের চাহিদা পূরণ করে এভাবেই নষ্ট করে ফেলে রেখে যায়।



[এমন করে ভেবে তখনই আমি ভাঙ্গা ঘটির চারার একটা ছবি তুললাম আপনাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য।]


আল্লাহ যেন এই ধরনের চরিত্রবানদের হেদায়েত দান করেন। আমিন!
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : রস চুরি, স্বাদ নিয়ে ফেলে দেয়া, মন্দ চরিত্র

মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০১৩

এভাবেই চলে যায়; প্রাণ পাখিও উড়ে যায়...

ছুটির পর স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে এলাম। টিফিন নেইনি বলে খুব ক্ষিধে পেয়েছে। দুপুরের খাবার খুব তৃপ্তি সহকারে খেলাম। শরীরে ক্লান্তির ভর অনুভব করায় বিছানায় একটু কাইলুলা করতে কাত হলাম। অনিচ্ছা সত্তেও অজানা মুহূর্তে কখন যেন ঘুমিয়ে গেলাম..

যখন ঘুম ভাঙল ততক্ষণে সূর্যটা ডুবো ডুবো অবস্থা। চোখে চোখে চেয়ে আমাকে দেখছে মাটির দেয়ালে তারকাটা দিয়ে আটকানো দেয়াল ঘড়িটা। ঘুমের লেশ এখনো কাটেনি। কিছুক্ষণ চেয়ে থাকলাম ঘড়িটার দিকে। মুসলিম হিসেবে নামাজ জামায়াতে পড়ার কথা। তবে ঘুমের জন্য আসরের নামাজ পড়া হয়নি এখনও। আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না আমার আসরের নামাজ কাযা হয়ে যাচ্ছে!

[ঘড়িতে মিনিট হিসেবের জন্য পাঁচটি করে আর প্রতি ঘন্টার জন্য মোট ৬০টি দাগ কাটা থাকে। এগুলো দিয়ে মিনিট হিসাব করা হয়। এই পাঁচ দাগের ভেতরে আরো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাঁচটি করে দাগ কাটা থাকে সেকেন্ড হিসেব করার জন্য।]

টকটক করে বারবার ঘুরে চলছে সেকেন্ডের কাটা। আনমনাভাবে আমি দেখছি, গুনছি কাটা দাগের উপর দিয়ে চলাচলের সুন্দর নিয়ম। কাটার সাথে দাগের চমৎকার মিল আর টকটক আওয়াজ আমার কাছে ভাল লাগছিল। সেকেন্ডের কাটাটা দাগের বরাবর এসে একবার থেমে যাচ্ছে। আবার সেসেন্ড> তারপর মিনিট > এভাবে চলেছে সেকেন্ড-মিনিট-ঘন্টার কাটাগুলো।

মাত্র ২০-২২ মিনিট বাকী সূর্য ডুবে যাবে। কয়েক মিনিট এভাবে পরখ করার পর আমার হুঁশ হল, আমার তো আসর নামাজ অনাদায়ে রয়ে গেছে! সময় যে চলে যাচ্ছে সেকেন্ড> মিনিট> করে! বোধ আসার পর তাড়াতাড়ি উঠে পড়লাম। কলের পাড় গিয়ে উযু করে ঘরে এসে যায়নামাজে দাঁড়িয়ে আসরের নামাজ আদায় করলাম। আর আল্লাহকে শুকরিয়া জানিয়েছি, আল্লাহ তুমি আমাকে সুন্দর একটা বুঝ দান করেছো আজ!

মাথায় একটা বিষয় কাজ করলঃ এভাবে করেই তো জীবন থেকে সেকেন্ড> মিনিট> ঘন্টা> দিন> মাস> বছর> যুগ চলে যাচ্ছে। অবশেষে সাধের প্রাণপাখিটাও উড়ে যায় অজানায় অনিচ্ছা থাকা সত্তেও। হাজারো কায়দা-কৌশল করে কোন ভাবেই প্রিয়জনেরা সেই প্রাণটাকে ধরে রাখতে পারে না।

ভাবলামঃ সবাই যখন এভাবেই চলে যাবে এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে। তো আমার আসরের নামাজের মত কত দায়িত্বই না অবহেলায় খেকে যাচ্ছে আর কাজা রয়ে যাচ্ছে অনাদায়ে। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ঘড়ির ছবিটা তুলে একটু সতর্ক হওয়ার জন্য লেখাটা দিলাম। যাতে করে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকে সঠিক কাজের মাধ্যমে আদায় করে নিজের জীবনকে স্বার্থক করা যায়।

وَالْعَصْرِ সময়ের কসম করে আল্লাহ বলেন,
إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ নিশ্চয়ই মানুষ মাত্র ক্ষতির সম্মুখীন। তবে এখানে শর্ত দিয়ে কিছু লোককে আশা দিয়েছেন- (ক্ষতি তাদের জন্য নয়; বরং তারা সফলকাম/স্বার্থক)
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ
১। যারা ইমান আনে (ইমানের উপর অবিচল থাকে)
২। যারা সৎকর্ম করে (আল্লাহ ও রাসূলের দেখানো পথে)
৩। যারা পরষ্পরকে সত্যের দিকে তাগিদ দেয়/ সত্যের প্রতি উৎসাহ যোগায়
৪। এবং যারা ধৈর্যের উপদেশ দেয়/ ধৈর্য্য ধারনের উৎসাহ যোগায়

আমি দেখছি বরফ যেভাবে গলে যায়, আমার জীবনও সেভাবেই গলে যাচ্ছে। সবার জীবন, পৃথিবীর সবকিছুই এভাবে একেক করে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। থাকব না যেহেতু, আসুন! আমরা আমাদের মূলের দিকে ফিরে যাই! আল্লাহ আমাদের সত্য পথের সফলকামীদের অন্তর্ভূক্ত করুন। আমিন!

--------------------------- ---------------------------
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : আসুন! আমরা আমাদের মূলের দিকে ফিরে যাই!, সময় চলে যায়, জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে!, এভাবেই সব চলে যায়, প্রাণ পাখিও ঊড়ে যায়!

সাদা কালা আগুন!

সাদা কালা আগুন!
-------------------

চতুরালি ...লীগ ...লীগ
সস্ত্রাস-ই যশ
অশালীন যজ্ঞে;
নাই রস-কষ।

চাপাতি রাম দা'র
কত শত ভেলকি
রক্ত খেতে লগি
বৈঠার খেল কি!

জনতার দৌলতে
বাদশাহী কারুন
যেথায় যা ভাল সব
তেড়ে কেড়ে আনুন।

দেশটাই আ.লীগের
প্রেম হয় বিষম
আরো চায় রক্ত
খেয়েছে যে কম!

যমজ বন্ধুরাজ
চোখে চেয়ে কাত
সীমান্ত পাহাড়ায়
বাংলা ডাকাত।

প্রশাসন আদালত
লাগবে না আইন
উলঙ্গ বাংলাও
করে নাই মাইন।

অভিযান চিরুনিতে
ছাত্রশিবির
বে-আইনী বলীয়ানে
নষ্টরা বীর।

পাগল-বোকা-মুর্খরা
কী যা তা কয়
জ্ঞানী-দেশপ্রেমীকেরা
আজব-বিশ্ময়!

একশত চুয়াল্লিশ
কুরানের সভায়
সব পাপ মাফ যেন
হয় না তবায়।

ক্ষমতার ঝালে নবী-
আল্লাহই বাদ
ইসলাম মুসলিমে
সদা অপবাদ।

চারিদিকে হৈচৈ
মজা হয় দারুন
রাজাকার মলভী গ
ধরে ধরে মারুন।

নীতিহীন সরকার
অকেজোঁ ফাগুন
জনগণ খেলনা যে
সাদা-কালা আগুন!

চড়ূইভাতি দেশ
লুটেপুটে খায়
বাবা'র সম্পদই তো;
কিবা আসে যায়!

সত্য মিথ্যা বুঝে
বাড়াও ঈমান
উড়বে বাংলা জয়ে
বিজয় নিশান! 

সম্মান দিবে আল্লাহ-ই যাকে নিন্দায় কে বা তার?

সত্য শান্তি জেনেছি যখন
ধিক সব মিথ্যাচার
হিংসা অহং সব ছেড়ে কর
নিজের গুণ বিচার।

কবিতা আর কবিতা লিখে
করছ জীবন পাড়
অথচ কবি-কবিতায় কেন
হক্ব নাই মিলাবার?

গ্রাজুয়েট লেভেল পাড় না হয়ে
পাশ না হয়েই ডাক্তার
কুরআন হাদীস না জেনেই কেন
শখ জাগে ফতোয়ার?

কুফর নেফাক যার যা থাক;
ধর তুমিই ইমানদার?
পিছলানো সুন্দরে সুন্দর-ই আছো;
ইয়ারকির কি দরকার?

কথায় লেখায় তাই কর না
নিন্দাবাদ প্রত্যাহার
সম্মান দিবে আল্লাহ-ই যাকে
নিন্দায় কে বা তার?

আমার বোন বলে আমার লেগেছে, আপনার বোন না হলে কি আপনার লাগবে না? (বহু যত্ন করে লেখা; এই পোস্টটি মূছে দিবেন না প্লিজ!


নিচের দাগ চিহ্নিত লেখাটাই এই পোস্টের শিরোনামঃ
------------------------------------------------------------------
বোরকাহীন ছাত্রীদের ধর্ষন করার সুযোগ সবসময় না পেলেও লম্পটরা চোখের চাহনি দিয়ে গিলতে চায়
নোটিসের সময়: ০৩ মার্চ ২০১২, দুপুর ০২:০৩
উগ্র শিরোনামের কারণে পোস্টটি মুছে দেয়া হলো এবং আপনাকে সতর্ক করা হলো।
-------------------------------------------------------------------

ব্লগের পোস্ট মুছে দেয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লোকগুলো হয় তো জানেন না; একটা পোস্ট লিখতে কত বেগ পেতে হয়? কত সময় খরচ করতে হয়? কত মেধা খরচ করতে হয়? কত অর্থ খরচ করতে হয়? আমি এসব করছি কি জন্য একটু ভেবে দেখার সময়কি ব্লগ কর্তৃপক্ষের নেই?
শুধু উগ্র শিরোনামের কারণে পোস্টটি আর সাথে মন্তব্যগুলোও খুব সহজেই মুছে দিলেন। কিন্তু ক্লিক করে এভাবে মুছে না দিয়ে আমাকে একটা নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দিলে হত না যে, আপনার পোস্টের শিরোনামে উগ্রতা প্রকাশ পেয়েছে। তাই আপনার এই পোস্টকে শিরোনামের জন্য মুছে দেয়া হবে। তাই ১ ঘন্টার মধ্যে অথবা আজকের মধ্যে শিরোনাম ঠিক করে আবার প্রকাশ করুন।
কিন্তু তা না করে পুরো পোস্টাই মুছে দিলেন। তাতে কি হয়েছে?
০ তাতে আপনার সর্বোচ্চ ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে
০ আর এভাবে ব্লগারের ক্ষমতা সম্পূর্ণ লোপ পাবে
০ ব্লগারের উগ্রতা লোপ পাবে
০ আপনাদের সম্মান দেখিয়ে লেখার চেষ্টা করবে
০ লেখার আগে হয়তো কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ এভাবে সম্মান জ্ঞাপন করে লেখা শুরু করবে
০ ব্লগার হয়ে আপনাদের ভয়ে সত্য গোপন রেখে লেখায় তেল মাখা পোস্ট প্রকাশ করবে
০ লেখায় দেশে চলমান অন্যায়ের প্রতিবাদ না জানিয়ে প্রেম, আকাশ, বাতাস, নদী, পাহাড়, বড়লোক-ছোটলোক, ভাবী-দেবর, শশুড়-শাশুড়ী ইত্যাদি পোস্ট করবে
আহা, এভাবে আপনাদের কতই না ভাল লাগবে

কিন্তু-
০ একজন ব্লগারের ভালবাসার মর্যাদা দিতে কার্পণ্য করলেন
০ ব্লগারের ভালবাসায় আস্থাশীল হতে পারলেন না
০ ব্লগের সারা জীবন ব্লগিং করার সাহস নষ্ট করে দিলেন
০ ব্লগার আপনাদের ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হল
০ নিরবেই শুধু ব্লগার কাঁদল, আপনাদের সান্ত্বনা পেল না
০ এভাবে করেই একেক করে পুরনো ব্লগার হারিয়ে যেতে পারে দূর অজানায়
০ অনেক অনেক নতুন ব্লগার পাবেন ঠিক, তবে যারা অভিজ্ঞতা ইতিমধ্যে অর্জন করে ব্লগের সুষ্ঠু পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে ব্লগিং করতে পারছে তাদের মত হবে না। সারা জীবনই আপনাদেরকে নতুন ব্লগারদের সর্তকই করে যেতে হবে

আমি যেমন ভাবছি, বিষয়টির সমাধান না করে মুছে দেয়ার পর নোটিশ দিয়ে সদাচরণের যুক্তি রক্ষা হয়নি। জানি না, আমারও ভুল হতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখার মত যদি হয়, একটু ভেবে দেখবেন, প্লীজ! আমি আপনাদের কোন আস্থাই পাচ্ছি না। আল্লাহ না করুন, হয় তো যদি কোন দিন এভাবে অজানায়ই ব্যান হয়ে যাই। তাহলে নিজেকে সামলাতে পারব না। সুতরাং না জানিয়ে এই কাজটি অন্ততঃ করবেন না!

এর চেয়ে শান্ত প্রকৃতির পোস্ট আমি আর কিভাবে লিখব? জীবনে কিছু লেখিনি বলে ব্লগে যে প্রকাশ্য লেখায় ঘোষণা দিয়েছিলাম, সেই জন্য আমাকে ট্রেনিং করার তাগিদ আসছে হয়তো উস্কানী আর উগ্র ধরনের শব্দে। তবে আমি কিন্তু খুব বাজে /অর্থহীন লেখা কখনো লেখিনি। কাউকে গালাগালও দেয়নি। আমি লেখায় কাউকে রামদা, চাপাতি লাঠি, পিস্তল হাতে নিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদী হওয়ার আহবান জানাইনি কখনো। উস্কানীর অভিযোগে যখন আমার সাধারণ পোস্টগুলোকে মূছে দেয়া শুরু হল, আমি নিস্তেজ প্রায় একটি পোস্ট দিয়েছিলাম-
আমি জানি না; আর কত নত হয়ে লিখলে লেখায় উস্কানী থাকবে না!

তারপরও আমার সাথে ব্লগ কর্তৃপক্ষ অযৌক্তির আচরণ করতে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে আমার মনে কখনো রাগ হয়েছে, মান-অভিমান হয়েছে। বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে তার কিছু প্রমাণও রয়ে গেছে। কিন্তু আমি ব্লগ ছেড়ে যাইনি, যাওয়ার চিন্তাও করি না। আমার ব্লগ ভালবাসার প্রমাণগুলো আরেকবার পড়ে যাঁচাই করে দেখতে পারেন!
ব্লগারদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে 'ইসলামী রাষ্ট্র' প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'ভীষণ-২০৫০' !
এখানে যদি হোঁচট খাই; মনে হয় না আর কখনো লেখা হবে আমার কলমে। তখন বুঝব, আমি পারি না বলেই আমি লিখতে গিয়ে ঝরে গেছি!
এভাবে ব্লগিং করে আমার স্বাদ মিটে না। চাই আরো সুন্দর কিছু! তাই মহা মিলনমেলার ডাক দিচ্ছি
কেমন তুমি ভাই যাও মডু যাও! তোমার সাথে আমার কথা নাই..
যদি কোন দিন মিথ্যাদের দল সোনার বাংলাদেশ ব্লগের ফাঁসির রায় কার্যকর করতে চাইবে, সেদিনও আমি সোনার বাংলাদেশ ব্লগকে ভালবাসার শক্ত বাঁধনে আঁকড়ে ধরব!
হাসি-কান্নার কত কিছু যে ঘটে যায় এই দুনিয়ায়! আর একজন ব্লগারের স্বপ্ন!
ব্লগিং সুবিধায় ব্লগারের চাহিদা! (উদ্দেশ্য কর্তৃপক্ষকে)
(+/-) রেটিং বাদ দিয়ে পছন্দ অপশনটা বাজে লেখাকেই উৎসাহ দেয়া হল!
মাহমুদ নাইস চলে যাবে; কিন্তু ভালবাসাটুকুই শুধু রেখে যাবে!
ব্লগার নিকে ব্লগারদের লেখার বাহারী চরিত্র!!!
তারপরও আমার মনে কোন দুঃখ নাই! আমি সুন্দর শান্ত মনের অধিকারী আজও আছি!

আমার এই লেখাগুলো শুধুই শুধুই শুধুই ব্লগ ভালবাসার সর্বোচ্চ প্রমাণ। তারপরও অনেক অনেক পোস্ট বিনা নোটিশে সংশোধনের সম্পূর্ণ সুযোগদানহীনভাবে সুন্দর সুন্দর পোস্টগুলোকে নির্দিধায় মুছে দেয়া হয়েছে। মন খারাপ হয়েছে অনেক অনেক। তবুও আমি লিখে যাচ্ছি, পোস্ট করছি। থেমে যাইনি কখনও। সবার সাথেই সোনার বাংলাদেশ ব্লগে অনেকটা বেহায়ার মতই এই লেখাটার মত মনে আশাবেঁধে ব্লগের ব্লগার হিসেবে হাল ধরে আছি শক্ত ধৈর্যের মাধ্যমে!
সান্ত্বনা তখনই হবে; যখন কালিমার পতাকা পতপত করে উড়বে!


আমি নারী লিপ্সু শিক্ষকদের একটু শরম দিয়ে নারী জাতির ইজ্জতের উপর সম্মান দেখানোর জন্য লেখা দিয়ে সামান্য চেষ্টা করেছি মাত্র। কারণ, আমার আর কোন ক্ষমতা, শক্তি নেই যে তার বিরোদ্ধে কিছু করতে পারি। আমি তো সেই শিক্ষককে মারতে যাইনি। ভয় দেখাইনি। লাঞ্চিত করিনি। আমিওতো একজন শিক্ষক। কিন্তু আমি তো তার মত বেলাজা হয়ে পোশাক খুলতে বলিনি। আমি যে সারাক্ষণই বলি তোরা মাথায় কাপড় পড়ে স্কুলে আসবি।


সত্য বলবি। সৃষ্টিকর্তার আদেশ পালন করবি। সৎ পথে চলবি। মিথ্যা বলবি না। কারো অধিকারে হাত দিবি না। বড়দের সম্মান, মা-বাবার কথা শুনবি। শিক্ষকদের কথা শুনবি। কিন্তু সেই বেলাজা শিক্ষক পর্দা খুলে তার সামনে এলে তার কি সুবিধা হবে? আমার বোন বলে আমার লেগেছে, আপনার বোন না হলে কি আপনার লাগবে না? এভাবে একটা পোস্টকে মুছে দিয়ে আপনারা কি বুঝাতে চাচ্ছেন?
১। পর্দা না করেই স্কুলে মেয়েরা আসুক?
২। লম্পট শিক্ষকরা তাদের নষ্টামী করেই যাক?
৩। শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পতিতালয় হিসেবে গড়া হোক?
৪। শিক্ষকদের ছাত্রছাত্রীরা জুতা মারুক?
৫। দেশ থেকে সত্য শিক্ষা বেরিয়ে যাক?
৬। শিক্ষার্থীরা এসব অপকর্ম শিখুক তাদের শিক্ষক থেকে?
৭। আর এসব চরিত্র দিয়েই কি সৎ চরিত্র গড়া যায়?

সোনারবাংলাদেশ ব্লগ কর্তৃপক্ষও কি এসব সমর্থন করতে পারেন? তো এতদিন আপনাদের ব্লগের প্রতি ভালবাসা, আপনাদের প্রতি ভালবাসা কোথায় ভালবাসলাম? কি উদ্দেশ্যে বাসলাম? আমার মাথায় কিছু বুঝে আসছে না।

সতর্কীত কতবারই না হলাম। তাই তো ভালবাসার সেই নির্দোষ মানুষদের নামে সত্য লিখে আর আগের মত উস্কানীমূলক পোস্ট না দিয়ে নিম্নোক্ত টাইপের পোস্ট দিচ্ছি।
আল্লাহ নামের ছবি ব্লগঃ এসো এক আল্লাহর দাসত্ব করি!
সাদা-কালা আগুন!
রাজ বসন্তের একটি বৈশিষ্ট; ফুলের কথা!
মোবাইল ক্যামেরায় যা সুন্দর!
প্লাস মাইনাস স্মরণে!
এভাবেই সব চলে যায়, প্রাণ পাখিও ঊড়ে যায়!
পছন্দ জানাব যে সব লেখায়!
ব্লগারদের নামে কবিতার রেলগাড়ি (১ ও ২ পর্ব) [প্রতিপাদ্য: পেন্ট নাই চোরাবালির!]
যে অতীত সৎ হতে শেখায়!
তুমি এক বড় বাপের বড়সর কন্যা
বেশি প্রকাশ পাওয়া শক্তিমত্তা দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ মাত্র!
খুঁজে নিও আমাকে ঠিক তোমার মত করে!
শরীরটাই যেন পোষাক না হয়!
ওরাই সব কিছুতে স্বাদ নেয়ার পর ফেলে দেয়..
নব্য লেখকদের লেখার সহজ ক্লু!
ব্লগার ব্লগার প্রেম!
যোগ্যতার অভাবে নিজস্বতা নষ্ট হয়!
এ জন্যই শিবির-জামায়াতীদের পাগল মনে হয়!


এত নরম পোস্ট দিচ্ছি, তবুও কর্তৃপক্ষের হৃদয় কাড়তে পারলাম না। চোখের সামনে অন্যায় আসবে। আর আমি পাহাড়-সাগর, আকাশ-বাতাস নিয়ে লিখব। এটা কি হয়? তাই অজানায়ই লিখে ফেললাম। খেয়াল ছিল, মুছে দিবেন কি না। ভয়ে ভয়ে সাভাবিক ভাবেই লিখলাম। তারপরও দেখি আমার প্রতি আপনাদের ব্যবহার!



-------------------------------------------------------------------
যেহেতু লেখায় কোন ধরণের অভিযোগ ব্লগ কর্তৃপক্ষের নেই। তাই আমি লেখাটাকে আবার এখানে শেয়ার করে দিলাম।
-------------------------------------------------------------------





বরাবর,
মাননীয়, সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

বিষয়ঃ মুসলিম নারীর সম্মান বুঝে অধিকার বুঝিয়ে দেওয়ার আবেদন।

মাধ্যমঃ যথাযথ কর্তৃপক্ষ।

মহাত্মন,
সালামবাদ নিবেদন এই যে, আমি একজন মুসলিম পিতার মুসলিম নারী সন্তান এবং বাংলাদেশের সীমানার ভেতরের একজন সাধারণ নাগরিক। আমি এতটাই সাধারণ যে, আপনাকে স্বচক্ষে দেখিনি কোন দিনও। আর আপনার কাছে গিয়ে কিছু চাওয়ার ক্ষমতা আমার নাই। কিন্তু ব্লগে লিখার সামর্থ আমার আছে। আমি জানি আপনিও একজন মুসলিম পিতার মুসলিম নারী সন্তান। সেই হিসেবে আপনার কাছে আমার এই কথাগুলো জানানোর সুযোগ পাচ্ছি। শুধু ইসলামী মূল্যবোধে কেন, অন্ততঃ একজন ধর্মাবলম্বী হিসেবে নিজ নিজ ধর্ম বিধান পালন প্রত্যেকটি ধর্মাবলম্বীদের নৈতিক অধিকারই শুধু নয় সাংবিধানিক অধিকারও বটে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নিজেকে আমি আজ সান্ত্বনা দিতে পারছিনা যে, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ বিগ্রেডিয়ার গোলাম হোসেন সরকার নামের লোকটা একজন মুসলিম নামধারী। আমি জানিনা কেন তার কাছে হিজাব ভাল লাগে না। তবে আমি পরিমল নামে একজন শিক্ষককে চিনি; হোক সে অন্য ধর্মের অনুসারী এবং সে যা করেছে তা সমগ্র জাতিকে লজ্জিত করেছে। একেকটা মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে থেকে তারা যেভাবে মানুষকে কলঙ্কিত করে চলেছে তাতে আমি আর নিজেকে মানাতে পারছি না যে, এমন মানুষগুলো নাম না জানা নরপশু হওয়ার অধিকার কোথা থেকে পেল? অথচ আপনি বাংলাদেশের নারী এবং মুসলিম প্রধানমন্ত্রী।
ব্লগার পুস্পিতা তো দুটি প্রশ্নই ছুঁড়ে দিয়েছেন সম্মানী ব্যক্তিদের কাছে, যাদের ন্যায়-অন্যায় বোধ রয়েছে।
১। টাইট জিন্স, টি-শার্ট পরা ছাত্রীকে তিনি কি কখনো বাঁধা দিয়েছিলেন? নিচের ছবিতে যে পোষাক দেখানো হয়েছে এই রকম কোন পোষাক পরে ছাত্রীরা কলেজে যায় এমন কোন ইনফর্মেশন আপনার কাছে কি আছে?


২। তাহলে কি ছাত্রীরা পরিমলদের সুবিধার জন্য খোলামেলা পোষাকে ক্লাসে যাবে?! ধর্মীয় পোষাকে মক্তবে পড়তে গিয়ে শিশুরাও কি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকদের হাত থেকে মেয়েরা রক্ষা পাচ্ছে?? সমস্যাটা আসলে কোথায়: পোষাকে নাকি পরিমল বা আব্দুর রাজ্জাক নাকি অন্য কিছুতে?!


ছবির বামে-বোরকা পরায় বের করে দেয়ার পর অশ্রুসজল ছাত্রীটি ফিরে যাচ্ছেন রাজউক কলেজ থেকে। সাথে তার বোন। ডানে- আরো কয়েকজনকে বোরকা পরার কারণে ঢুকতে না দিয়ে কলেজ গেইটে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।

ব্লগার পুস্পিতা অন্য আরেক পোস্টে আর একটি মন্তব্যে প্রশ্ন করেছেনঃ
৩। বোরকা পরলে অধ্যক্ষের সমস্যা কি? যে ছাত্রী বোরকা পরে তার তো কোন সমস্যা হচ্ছেনা। তাকে কেউ জোর করে বোরকা পরতেও বলেনি। কিন্তু অধ্যক্ষ তাতে বাঁধা দেয়ার কে? বোরকা অপছন্দ হওয়ার কথা পরিমল নামের লম্পটদের। কারণ বোরকা তাদের লালসা পূরণে সহায়ক নয়। বোরকা ছাড়া ছাত্রীদের তারা ধর্ষন করার সুযোগ সবসময় না পেলেও চোখের চাহনি দিয়ে গিলতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাঁধা হয় বলেই কি অধ্যক্ষ সাহেবের বোরকা অপছন্দ?

আবূ শাওয়াক্ব তাঁর ব্লগের লিখেছেন,
একজন পুরুষ বিচারক অফিসে মাথা ঢেকে থাকেন, এটাতে কারো প্রশ্ন নেই। কিন্তু একজন মুসলিম মহিলা মাথা ঢেকে রাখলে তিনি হন সেকেলে ও মৌলবাদী!! সম্ভ্রান্ত মুসলিম নারীদেরকে ন্যাংটা করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছেন। এটাকে মারাত্মক বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যধি ছাড়া আর কি বলতে পারেন?
একজন প্রধান শিক্ষকের রুচি যদি এত নিচ হয়, তাহলে সেখান থেকে কি বের হবে তা সহজেই আন্দাজ করা যায়।

এ সকল প্রশ্নগুলো শুধু আবূ শাওয়াক্ব, পুস্পিতার নয়; আমাদের মুসলমান জাতির প্রশ্ন। হে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আমি জানি না এমন সংবাদ আপনার কাছে পৌঁছেছে কিনা। তবে আপনার জানা উচিৎ। আমি আর নিজেকে মিলাতে পারছি না কেন মুসলিম নাম ব্যবসায়ীরা এমন হীনমন্যতার পরিচায়ক? এদেশে প্রায় ৯০%+ মুসলমানের মাঝে আপনার নামটিও রয়েছে। মুসলিম, নারী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মনে প্রথম এবং সবোর্চ্চ চোট লাগার, রাগ হওয়ার, বিচার দাবী করার কথা ছিল আপনার। আমি জানি না তা হয়েছে, করেছেন কিনা। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর দায়দায়িত্ব বুঝে বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মবলম্বীদের ধর্মভিত্তিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রধান ক্ষমতা, দায়িত্ব আপনার হাতে। আপনার কাছেই এমন বিষয়টির যথার্থ সুরাহা হওয়ার আশা করি, চাই। নয় তো বাংলার মুসলমান এদের ক্ষমা করবে না, আর যারা এদের রক্ষাকর্তা, মদদদাতা।

তাছাড়া খুব বেশি দিন হয় নি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া ও সামসুন্নাহার হল থেকে ৮ ছাত্রীকে হল থেকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই ৮ ছাত্রীর সিট বাতিল করে হল থেকে বের করে দেয়া হয়। সেই ছাত্রীদের ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ছাত্রী কর্মীদের কথা অনুযায়ী বহিঃস্কার করা হয়েছে। তাদের অপরাধ তারা বিকেলে হলের মাঠে বসে গল্প করছিল! তাদের আরো কিছু অপরাধ আছে, তারা সবাই নিয়মিত নামাজ পড়ে, তারা পর্দানশীল!!! এই অপরাধে তাদেরকে হল থেকে বহিঃস্কার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ক্যাম্পাসে সহিংসতার আশঙ্কায় এদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


সহিংসতার আশংকায় বহিঃস্কার?!! নামাজ পড়লে সহিংস হয়? পর্দা করলে সহিংস হয়? ছবিতে যাদেরকে দেখা যাচ্ছে তাদের কয়জনকে বহিঃস্কার করা হয়েছে? সেই ৮ জন ছাত্রীর অপরাধ তারা ছবির মতো মারামারি করেনা, চুলোচুলি করেনা? রাত বিরাতে কারো ডাকে বিভিন্ন জায়গায় যায়না? এসবই অপরাধ?!
চুলাচুলিকারীদের দৃশ্য দেখুন!


এখান থেকে কপি>>

আমি বুঝি না দেশে এসব কি হচ্ছে? পর্দা, নারী, মুসলিম, ইসলাম, নামাজ, রোজা, কুরআন, হাদীস ইত্যাদি নিয়েই দেখছি সব ঝামেলা। আর কিছুতে তো কোন সমস্যা নেই। আপনি একটু ভেবে দেখবেন আশা করি!

সুতরাং এভাবে যদি চলতেই থাকে তাহলে এই মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে মুসলমানদের ইজ্জত আর অবশিষ্ট থাকে না। সম্মান যদি যায়, আপনার সম্মানই আগে যাবে ভাবতে হবে। আপনার শরম লাগুক আর না লাগুক; মুসলমান জাতির বিশেষ করে নারীদের ইজ্জত রক্ষার্থে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ বিগ্রেডিয়ার গোলাম হোসেন সরকারদের মত সমস্ত পশুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে বাংলাদেশে হিজাবের মর্যাদা দানে বাধিত করবেন। নয় তো মহান আল্লাহ কাউকেই ছাড়বে না। ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : যে কষ্ট শিরোনামে প্রকাশ করতে পারছি না! (বহু যত্ন করে লেখা; এই পোস্টটি মূছে দিবেন না প্লিজ!), ব্লগারের সাথে ব্যবহার