রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৩

যতদিন হাসিনা থাকবে, ততদিন ভারত প্রেমিকের মনোরঞ্জনের জন্য উপহার হিসেবে বাংলার জনগণকে প্রাণ দিতেই হবে!

যতদিন হাসিনা থাকবে, ততদিন ভারত প্রেমিকের মনোরঞ্জনের জন্য উপহার হিসেবে বাংলার জনগণকে প্রাণ দিতেই হবে!

-পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

: ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সীমান্ত থেকে পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত চারজনকে ও এর আগে শনিবার বিকেলে একজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদের মধ্যে স্কুলছাত্র,গরু ব্যবসায়ী ও কৃষক রয়েছে।

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৩

ব্লগ-ব্লগার-কর্তৃপক্ষ সমস্যায় আমার একখান প্রস্তাব!

ব্লগারই ব্লগের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ব্লগারহীন ব্লগের যেমন কোন মূল্য নাই, তেমনি ব্লগহীনও ব্লগারের মূল্য নাই। দুইটাই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং দুইয়ের মর্যাদা ও গুরুত্ব সমানে সমান।

গত কিছু দিন ধরে দেখছি ব্যানের বন্যা বয়ে যাচ্ছে ব্লগে। পোস্ট, বার্তা, কমেন্টের মাধ্যমে ব্যান করার বিষয়টি আমি জানছি। আমার ৫মাস অতিক্রম করেছে ব্লগিং করছি। আমার ব্লগ জীবনে প্রথম যাঁরা ছিলেন, অনেকেই আজ হারিয়ে গেছে। অনেককেই হারাতে হয়েছে। আবার কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ আসতে চাচ্ছে না। ইত্যাদি। তবে এই বিষয়টাকে আমার কাছে ভালভাবে জাগে না। ভালবাসার মানুষরা যদি এভাবে চলে যায়......... হয় তো আমাকেও এভাবেই চলে যেতে হবে! আমিও নোটিশ খেয়েছি কয়েকটা। নোটিশ পাওয়া পোস্টগুলো হয় তো উস্কানীমূলক হওয়ায় পোস্ট মুছে দিয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে আমি এই কয়েকটা ছাড়া সবগুলোই ভাল পোস্ট দিয়েছি। কিন্তু সেগুলো সম্পর্কে আমাকে কোন ধন্যবাদ জানানো হয় নি।

একটা নোটিশে শুধু বলা হয়েছে, যা আমার জন্য আশারবাণী স্বরূপঃ আপনি যদি যথাযথ পোস্ট দেন, তবে আপনাকে মূল্যায়ন করা হবে। এতে আমি মডারেটরদের মূল্যায়ন করার চেষ্টা করছি। কর্তৃপক্ষও আমাকেও সেভাবে মন্দ চোখে দেখছেন না। আমার সাথে ব্লগ কর্তৃপক্ষের যথযথ সম্পর্ক বজায় রয়েছে, আমি মনে করি। এই সম্পর্ক যাতে আরো গারো হয় আর ব্লগ, ব্লগিং এবং ব্লগ কর্তৃপক্ষের সমন্বয় যেন আরো সুন্দর, আরো একটিভ হয়; সেই জন্য-
----------------------------------------------------------------
আমার একটা প্রস্তাব
----------------------------------------------------------------

১। সবার জন্য উম্মুক্ত একটা বোর্ড রাখা হোক। যেখানে ব্যান করা, সাময়িক স্থগিত করা ব্লগারদের তালিকা প্রদর্শিত হবে। কি কারণে ব্যান করা হল,তার কারণও সেখানে উল্লেখ থাকবে। আর সেখানে মন্তব্য করে তাঁদের জন্য দোয়া করার অপশন চালু থাকবে। যদি সত্য কথায়, দেশের কথায় আপনাদের (মডারেটর) রেষানলে পড়ে একজন ব্লগারের ব্যানের মাধ্যমে মৃত্যু হয়। তাহলে সেখানে আমরা জীবিতরা যুক্তিসংগতভাবে আনব্যান করার যুক্তি তুলে ধরব। আর যদি ঠিকভাবে ব্লগ থেকে ব্যান করার মত কোন নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণেই ব্যান করা হয়ে থাকে; তাহলেও এখান থেকে অন্য সব ব্লগারগণ শিক্ষা নিতে পারবেন। তখন এধরণের পোস্ট করা থেকে বিরত থাকতে সহজ হবে। কিন্তু আপনারা যদি সতর্ক হওয়ার সুযোগ না দিয়ে চুপিসারে একজন ব্লগারকে ব্যান করে দিলেন; আমরা তা জানলাম না। তার জন্য শুধু শুধু ব্যর্থ আশা করব, হয় তো আবার কোন দিন সেই ব্লগার আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। অথচ আর কোন দিনও আসবে না!

২। প্রতিদিন সর্বাধিক মন্তব্যকৃত, সর্বাধিক প্লাসিত, সর্বাধিক মাইনাসিত পোষ্টগুলো প্রদর্শিত হওয়ার জন্য বোর্ড অপশন তৈরী করা হোক।

অথবা সবক'টি অপশন প্রদর্শন করানোর জন্য একটা বোর্ডের ব্যবহার যথেষ্ট হতে পারে। তাতে যায়গার সংকুলান হবে।

৩। সোনার বাংলাদেশ ব্লগ যেহেতু সকল মতের মিলন মেলা; সেহেতু এখানের ব্লগারকে ব্যান করার আগে সকল ব্লগারের মতামত নেয়ার ব্যবস্থা করা হোক। ব্যানের পক্ষে/বিপক্ষে অন্যান্য ব্লগারদের ভোট দেয়ার অপশন চালু করা হোক। যদি মন্তব্যগুলো পড়ে আপনাদের ব্যান করার মত মনে হয় অথবা বেশি মাত্রায় ভোট পড়ে ব্যান করার প্রতি, তাহলে না হয় আপনার ব্যান করবেন।

আমি জানি না, আমার সামনে থেকে হারিয়ে যাওয়া ব্লগারগণ সবাই ই কি ব্যান হয়ে গেছেন কি না। তবে আমি তাঁদের খুব মিস করি। তাঁদের ব্লগে অফলাইন থাকা আমার মনে নিঃসঙ্গতাই বাড়ায়। আমার মনে হয়, এই ৫ মাসের ব্লগিয়ের আমি যাঁদের পেয়েছিলাম; সবাই যদি ব্লগে থাকত এত দিনে হয় তো সব সময় ২৫০-৩০০ জন্য অনলাইন হয়ে থাকত। যা শুধু আমার মনের ভালবাসার জন্যই শুধু নয়; আপনাদের ব্লগের জন্য ভাল কিছু হত। ব্লগ আরো কিছু পেত। ব্লগারগণও মনমরা না থেকে আরো উৎফুল্ল থাকত। সুতরাং, ব্লগের কল্যাণার্থে ব্যান না করে সংশোধনের মাধ্যমে আপনাদের চাহিদা মোতাবেক একজন ব্লগার হিসেবে গড়ে তোলার কৌশল সৃষ্টি করা হোক।

এটা একান্তভাবে আমার মতামত। ব্লগারগণ হয় তো ব্লগের কল্যাণার্থে মন্তব্যের ঘরে তাঁদের ইচ্ছার কথা গুলো তুলে ধরবেন!



ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : ব্লগিং সুবিধা, নতুন অপশন,

দেশের রাখাল লজ্জাতে নাই; ন্যাংটা প্রধানমন্ত্রী!

ভারত খুনি মানুষ বেশে
তৈরী তবে কিসে?
সকল লজ্জার মাথা খেয়ে
বাংলা মারছে বিষে।

আম-জনগণ নয় রে বেটা;
ফরেইন চিনে নেত্রী!
দেশের রাখাল লজ্জাতে নাই;
ন্যাংটা প্রধানমন্ত্রী!

সীমান্তে দেখ্ বন্ধুযুগল
মিটমিটিয়ে হাসছে
বাং... নেতা কয়, "মানুষ মারা
এমনিই চলে আসছে!"

বলি ওরে বাংলা লীডার!
ক্ষমতা আজ কই?
তোমার তরেই বাংলা লাজে
চুক্তি গেল ঐ?

যারাই নাকি বাংলা প্রেমিক
বাংলা প্রেমের হীরক
তাদের হাতেই সোনার মাটি
ফিনিস বাংলা তিলক!

যেই করে হোক, দেশটা বাঁচাও
মমতা জাগাও মনে
দরকার হলে পায়ে ধরো
মোহন বাবুর সনে।

হায় আমি যদি শিবির করতে পারতাম!

আমি ছাত্রশিবিরের চরিত্র নিজ চোখে খুব কাছে থেকে যেভাবে দেখেছি; নিঃসন্দেহে তাঁরা নিজের জীবনে উন্নত চরিত্র গড়ার মাধ্যমে দেশকে শান্তিরাষ্ট্র হিসেবে গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ী। আমি চাই বাংলাদেশের সকল ধর্মাবলম্ভি ছাত্র ছাত্রশিবিরকে জানুন! বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একটি সুন্দর, আদর্শ, সুশৃংখল ছাত্র সংগঠনের নাম

এ যুগে একদিকে পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী ও স্বার্থপূজারী সভ্যতা আমাদের জাতির নৈতিক পতনকে চরম পর্যায়ে উপনীত করেছে, অন্যদিকে চলছে সমাজতন্ত্রের নাস্তিক্যবাদী চিন্তার হামলা। এ হামলা আমাদের জাতির মৌলিক ঈমান-আকীদার মধ্যে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করেছে। এর ফলে ইসলামের সাথে জাতির গভীর প্রেম-প্রীতিময় সম্পর্কের ভিত্তি নড়ে উঠেছে। বিপর্যয় ও অনিষ্টকারিতার ‘সিপাহসালার’ শয়তান যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল হুবহু তারই চিত্র যেন আজ ফুটে উঠেছে। শয়তান বলেছিলঃ আমি (হামলা করার জন্য) এদের (মানব জাতির ) সামনে থেকে আসবো, পিছন থেকে আসবো, ডান দিক থেকে আসবো, বাম দিক থেকে আসবো। (সুরা আরাফ-১৭)

মাজারের নিকট যে সমস্ত মূল্যবান প্রদীপ ও স্বর্ণনির্মিত বাতিদান অযথা আলোক বিচ্ছূরন করে; অথচ তাদের সন্নিকটে বনে-জঙ্গলে মানুষের কাফেলা পথভ্রষ্ট হয়ে দস্যুহস্তে লূন্ঠিত হয়, সেই প্রদীপ ও বাতিদানের অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব যেমন সমান মূল্যহীন, ঠিক তেমনি যে ঈমান, ইসলাম ও তাকওয়া চতুষ্পার্শের পরিবেশকে আলোকিত করার জন্য কর্মক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ার পরিবর্তে বিরোধী শক্তির ভয়ে মসজিদে আশ্রয় খুজে ফেরে, তাও হৃদয়-মনের জন্য নিছক স্বর্ণালংকার বৈ আর কিছুই নয়। চরিত্রের যে ‘মূলধন’কে ক্ষতির আশংকায় হামেশা সিন্দুকের মধ্যে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় এবং যা হামেশা অনুৎপাদক (productive) অবস্থায় বিরাজিত থাকে, সমাজ জীবনের জন্যে তার থাকা না থাকা সমান।

মূলধন নিয়োগকারীদের মধ্যে যোগ্যতা থাকলে সে মূলধন লাভসহ ফিরে আসবে, আর অযোগ্য হলে লাভ তো দূরের কথা আসল পুঁজিও মারা পড়বে। কিন্তু বাজারে আবর্তিত হতে থাকার মধ্যেই পুঁজির স্বার্থকতা। অন্যথায় যত অধিক পরিমাণ পুঁজিই জমা করা হোক না কেন তা পুরোপুরি ব্যর্থ হতে বাধ্য।

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীগণ যখন তাদের চরিত্র ও ঈমানের ন্যূনতম পুঁজি এ পথে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তখন একে কেবল ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাবার জন্যই নয়; বরং দেশ ও জাতির এবং আমাদের নিজেদেরকেও এ থেকে অধিকতর মুনাফা অর্জনের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একজন স্বল্প পুঁজিদার ব্যবসায়ীর ন্যায় আমাদের রক্ত পানি করা উপার্জনকে ব্যবসায়ে খাটাবার ব্যাপারে পূর্ণ সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। এর পরিচালনা এবং দেখা-শুনার জন্য যাবতীয় উপায়ও অবলম্বন করা কর্তব্য। মহামারী আক্রান্ত এলাকায় জনগণের সেবা করার জন্য আমাদের নিজেদের স্বার্থরক্ষার সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

কিভাবে চিনবেন শিবির?

একজন আমাকে মেসেজ দিয়ে বলল, ভাই আমি কউমীর। কিভাবে শিবির হব? আমি নারায়ণগঞ্জের।

এর উত্তর আমি কিভাবে দিব! আমি তো শিবির না। তাছাড়া আমি আপনার এলাকার কাউকে চিনি না। তারপরও আমি শিবির ভালবাসি পছন্দ করি সহযোগিতা করি হিসেবে আপনাকে পথ দেখিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। যেহেতু আপনি আমাকে নক করেছেন।

¥ আপনাকে প্রথমে অন্ততঃ 4-5টি মসজিদে আসরের নামাজ পড়তে হবে। নামাজের পর মসজিদের সামনে যদি কেউ কাউকে আসসালামু আলাইকুম মাসুম ভাই! আসসালামু আলাইকুম সাদিক ভাই! কেভন আছেন ভাই? ইত্যাদি কুশল বিনিময় করতে দেখেন তবে বুঝতে পারেন তাঁরা শিবির পক্ষের লোক। আর যদি হাতে কোন বই খাতা ডায়রী কাগজপত্র কলম নোট বই থাকে তবে নিশ্চিত ধরে নিবেন উনারা শিবির!
¥ পত্রিকার দোকানে যাতায়াত বাড়াবেন। ছাত্র বয়সের দেখতে ভদ্র মুখে তার হাসি টেনশনের ছোঁয়া নাই এমন কাউকে সালাম বিনিময় করে পত্রিকা কিনতে বা পড়তে বা নিয়ে যেতে দেখেন, তাহলে ভাবতে পারেন লোকটা শিবির। যদি আমার দেশ, নয়াদিগন্ত, সংগ্রাম নিতে দেখেন তবে নিশ্চিত হবেন যে এই জনই শিবির!
¥ স্কুল কলেজ আলিয়া মাদরাসার আশে পাশে বিকাল বিকাল ঘুরবেন। যদি দেখেন দুইজন লোক একজন অন্য জনকে সালাম দিল। মুসাহাফা করল। আপনি তাকে শিবিরের পক্ষের লোক ভাবতে পারেন। যদি কোলাকুলী করল দেখেন। তবে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনি শিবির পেয়ে গেছেন!

এখন আপনি আপনার কাঙ্খিত পথে এগিয়ে যাবেন। সম্পর্ক তৈরি করুন। আপনার পরিচয় দিন। আপনার ইচ্ছার কথা জানান। উনারা বলে দিবেন আপনাকে কি করতে হবে! সামনে অগ্রসর হতে থাকুন। আল্লাহ আপনার পথ সহজ করে দিবেন আশা করি!

শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৩

আওয়ামীলীগ?

আ তে আমড়া কাঠের ঢেকি
ও তে ওয়া মুর্খ সে কি!
য়া তে ভুয়া বেহায়া বাজে
মী তে গর্মিল কথা কাজে
লী তে লিঙ্গ হারায় কারা?
গ তে গরু আওয়ামীলীগ তারা!

প্লাস-মাইনাস, (+/-) রেটিং বাদ দিয়ে পছন্দ অপশনটা বাজে লেখাকেই উৎসাহ দেয়া হল!




আগে ব্লগ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই যে, হয় তো ব্লগের শুভ কিছু করার জন্য বা মনে সুন্দর কোন অনুভূতি নিয়ে (+/-) রেটিং বাদ দিয়ে পছন্দ অপশনটা লাগিয়েছেন। হয় তো বেশি সময় হয় নি। আমি এখন ব্লগে অনলাইন হলেই ব্যাপারটা আমার নজর কাড়ে। আপনারা যেভাবেই ভেবে থাকেন না কেন, আমি যেভাবে ভাবছি তা হলঃ

মন্তব্য সবার জন্য উম্মুক্ত। কিন্তু পছন্দ অপশনটা শুভ পোস্ট যাদের ভাল লাগে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্ত যাদের খারাপ লাগে বা অপছন্দ তাদের জন্য কিন্তু কিছু রাখা হল না। তাদেরকে বঞ্চিত করা হল।


পৃথিবীতে এমন কিছু নাই বা আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেন নি যার ভাল-মন্দ নাই। নিরপেক্ষ বলতে কিছু নাই। পছন্দসই বা ভাল লেখার ক্ষেত্রে প্লাস দিব, যেন দিতে পারি এমন ইচ্ছা সবারই থাকে। আর বাজে লেখা বা খুব অপছন্দসই লেখার ক্ষেত্রেও তেমনি সেই লেখাকে ঘৃণা বা মাইনাস দেয়ার অনুভবটাও থাকে। ভাল লেখায় প্লাস আর মন্দ লেখায় মাইনাস এমন রেটিং থাকা স্বাভাবিক নয় শুধু; বাঞ্চনীয় বটে। আমি প্লাসকে পুরষ্কার ধরে আর মাইনাসকে তিরষ্কার ধরেই বলছি, যদি প্লাসের মাধ্যমে ভাল লেখাকে যেমনি ভাবে উৎসাহ দেয়া হয়। তেমনি মন্দ লেখায় মাইনাস দেয়ার মাধ্যমেও মন্দ লেখার প্রতি অনিহা সৃষ্টি করা হয়। আমার মতে প্লাস/মাইনাস দেয়ার অপশনটা বাতিল করে শুধু পছন্দ অপশন রাখার মাধ্যমে মন্দ, বর্জিত, খারাপ, অশালীন, বাজে লেখার প্রতি উৎসাহ, সহমত জানানো হল।

মডারেটরদের সিদ্ধান্তকে আমি কি বলে যে মন্তব্য করব, আমি ভেবে পাচ্ছি না। প্লাস/মাইনাস রেটিং থাকতে একটা অন্যরকম ফিলিংস কাজ করত; প্লাস বেশি, না মাইনাস বেশি পাই এমন! প্লাস বেশি মানেই বেশি জন ব্লগার আমার লেখাকে ভালবেসেছে, পছন্দ করেছে। আসলেই লেখাটা ভাল হয়েছে। আর মাইনাস মানে, আমার লেখাটা মন্দ হয়েছে। আমি শুধু কেন, মাইনাসপন্থীরাও মাইনাস পেতে ভালবাসে না বা মাইনাস পেতে চায় না। আর যারা সারাক্ষণই মন্দ লেখতে থাকে, তারা অনেক সময় রেটিং বন্ধ করে রাখে। কারণ হল, তারা নিজেরাও জানে মাইনাস খারাপ। তারা তাই মাইনাস পাওয়ার চেয়ে রেটিং বন্ধ রাখাকেই যুক্তিযুক্ত মনে করে।

আমার মতে প্লাস/মাইনাস দেয়ার রেটিং সিস্টেমই ভাল ছিল। আশা করি কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা আবার ভেবে দেখবেন।
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : পছন্দ অপশন, প্লাস-মাইনাস, (+/-) রেটিং বাদ দিয়ে পছন্দ অপশনটা বাজে লেখাকেই উৎসাহ দেয়া হল!