যারা প্রাইমারী স্কুলে নতুন চাকরী নিছেন তাদেরে বলি,
আপনারা মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকার অভ্যাসটা
মেনে নিন। কারণ, আপনার উপর সরকারের বদনজর
ভর করা আছে। আপনারা ইচ্ছা করলেই স্কুল বাদে অন্য
কাজ করতে পারবেন না। কারণ, ঘুম থেকে উঠেই
গোছল করে স্কুলে ছুটবেন। তারপর ঠিক ৪টা ১৫ মিনিট
পর্যন্ত শিশু পোলাপানদের সাথে চিল্লাইবেন।
সকাল থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত শ শ শিশুদের
সামলায়া পড়াইতে পারলে পড়াইবেন, না পারলে বাড়িতে
আইসা হাত মুখ ধুইয়া খাইতে বইবেন। পাতিলে ১১চালের
ভাত থাকলে আলু ভর্তা দিয়া খাইবেন।
ভাত না থাকলে ক্ষেতা নিয়া রেষ্ট নিবেন। ঘুম না আইলে
হায় হায় করবেন না। এক সময় আল্লাহ আপনারে
আরো অনেক বেশি ধৈর্যশীল হওয়ার তৌফিক দিবেন!
মনে রাখবেন আপনি নিজেকে যতই সম্মানী মনে করেন,
সরকার কিন্তু আপনাকে ঘরের চাকর হিসেবেই দেখে!
আপনাকে দিয়া তার যত কাজ সব করাবে, কিন্তু
নাস্তার সময় হলে আপনাকে একটা রুটি পানি দিয়া খাইতে
দিবে। কিন্তু হালুয়া আপনারে দিয়া বানায়া আপনারে দেখায়া
দেখায়া খাইবে। কিছুতে নযর দেওয়ার অধিকার আপনার
.........নাই!
আপনারা মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকার অভ্যাসটা
মেনে নিন। কারণ, আপনার উপর সরকারের বদনজর
ভর করা আছে। আপনারা ইচ্ছা করলেই স্কুল বাদে অন্য
কাজ করতে পারবেন না। কারণ, ঘুম থেকে উঠেই
গোছল করে স্কুলে ছুটবেন। তারপর ঠিক ৪টা ১৫ মিনিট
পর্যন্ত শিশু পোলাপানদের সাথে চিল্লাইবেন।
সকাল থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত শ শ শিশুদের
সামলায়া পড়াইতে পারলে পড়াইবেন, না পারলে বাড়িতে
আইসা হাত মুখ ধুইয়া খাইতে বইবেন। পাতিলে ১১চালের
ভাত থাকলে আলু ভর্তা দিয়া খাইবেন।
ভাত না থাকলে ক্ষেতা নিয়া রেষ্ট নিবেন। ঘুম না আইলে
হায় হায় করবেন না। এক সময় আল্লাহ আপনারে
আরো অনেক বেশি ধৈর্যশীল হওয়ার তৌফিক দিবেন!
মনে রাখবেন আপনি নিজেকে যতই সম্মানী মনে করেন,
সরকার কিন্তু আপনাকে ঘরের চাকর হিসেবেই দেখে!
আপনাকে দিয়া তার যত কাজ সব করাবে, কিন্তু
নাস্তার সময় হলে আপনাকে একটা রুটি পানি দিয়া খাইতে
দিবে। কিন্তু হালুয়া আপনারে দিয়া বানায়া আপনারে দেখায়া
দেখায়া খাইবে। কিছুতে নযর দেওয়ার অধিকার আপনার
.........নাই!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন